এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেছেন, কোনো মন্ত্রী দুর্নীতিতে লিপ্ত হলে বা মানবাধিকার লঙ্ঘন করলে তাকে ধরার উপায় কী — এবং কার ওপর নির্ভর করবে তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা? তিনি বলেন, যাঁর মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা, তাঁকে নিয়োগ দেন তিনি নিজেই।
রাজধানীর এক অনুষ্ঠানে ডা. তাসনিম জারা আরও বলেন, জুডিশিয়াল নিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি, আর রাষ্ট্রপতিকে নিয়োগ দেবেন সংসদের সদস্যরা — অথচ এমপিরাও একইভাবে বাধাগ্রস্ত। ফলে রাষ্ট্রের প্রতিটি শাখায় ক্ষমতা একক কোথাও কোথাও কনসেন্ট্রেট হয়েছে; এর ফলে প্রধানমন্ত্রীকে জবাবদিহি করানো কঠিন হয়ে পড়েছে। যদিও সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে ঊর্ধ্বে আছেন, বাস্তবে প্রায় সব কাজ প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
তাসনিম জারা বলেন, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী যদি দুর্নীতি করেন, যদি মানবাধিকার লঙ্ঘন করেন, যদি জনগণের পক্ষে কাজ না করেন, তাহলে তাকে সরানোর উপায় কী? সরানোর একমাত্র উপায় নির্বাচন। সেই নির্বাচন নিয়েও সমস্যা। আমরা এমন একটা সমস্যায় আটকে গেছি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী যদি দুর্নীতিবাজ হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী হয়, তাহলে তাকে সরানোর আর উপায় নেই, তখন মানুষকে রাস্তায় নামতে হয়, জান জীবনের মায়া উপেক্ষা করে সরকারকে উৎখাত করতে হয়েছে। যেটি গত বছর জুলাই-আগস্টে করতে হয়েছে। ওই ব্যবস্থাই আমরা টিকিয়ে রাখব, ওই ব্যবস্থাই থাকবে। সেই ব্যবস্থা টিকিয়ে রেখে আমরা আবারও সামনে এগোবো গণ-অভ্যুত্থানের পরও।