আলোচিত ইসলামি বক্তা ও জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া-৩ আসনের প্রার্থী মুফতি আমির হামজা নবী মুহাম্মদকে (সা.) সাংবাদিকের সঙ্গে তুলনা করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে আল্লাহ নবী নাম দিয়ে পাঠিয়েছেন, আর নবী মানে সংবাদবাহক। যারা সংবাদ বহন করেন, তাদের আমরা সাংবাদিক বলি। সে অর্থে নবীজি (সা.) সাংবাদিক ছিলেন।”
তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইসলামি বক্তা গিয়াস উদ্দিন তাহেরি বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে লেখেন, “গতকাল দেখলাম আমিরে জামায়াত বক্তব্যের ব্যাপারে সতর্ক করলেন। এক দিন পরই মিথ্যাবাদী আমির হামজা অবান্তর ও বেয়াদবিমূলক কথা বলল। সে আসলেই বেয়াদবিতে সেরা।”
এর আগে আরেক পোস্টে তিনি ইঙ্গিত করে লিখেছিলেন, “আল্লাহর হাবীব (দ.) নাকি সাংবাদিক ছিলেন—নাউজুবিল্লাহ! মানসিক ভারসাম্যহীন, বিকারগ্রস্ত মিথ্যাবাদী আমির হামজার এমন বক্তব্যের পর তার জায়গা কোথায় বরাদ্দ হওয়া উচিত?”
তাহেরির মন্তব্য ঘিরেও অনলাইনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কেউ কেউ তার বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেন, “ধর্মীয় বক্তাদের মুখে এমন বেয়াদবি মানায় না।” অন্যদিকে, অনেকেই এটিকে ইসলামি বক্তাদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক বিরোধের নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
ধর্মীয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক এ ঘটনাটি প্রমাণ করছে—কিছু বক্তার অসংযত ও বিতর্কিত বক্তব্য সমাজে বিভাজন ও বিভ্রান্তি বাড়িয়ে দিচ্ছে।