বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়কে “পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
রায় ঘোষণার পর প্রকাশিত পাঁচ পৃষ্ঠার বিবৃতিতে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেওয়ার কৌশল হিসেবেই অন্তর্বর্তী সরকার তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় নিশ্চিত করেছে।
এর আগেও তিনি বিচার প্রক্রিয়াকে ‘প্রহসন’ বলে মন্তব্য করেছিলেন এবং নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন।
হাসিনা বলেন, ন্যায্য প্রক্রিয়ায় অভিযোগ পর্যালোচনা করা হয়—এমন যে কোনো আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে তিনি অভিযোগকারীদের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।
তিনি আরও জানান, অভিযোগগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
তার ভাষায়, মানবাধিকার ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত নিজের রেকর্ড নিয়ে তিনি “অত্যন্ত গর্বিত”।
এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এ মামলায় দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
১৭ নভেম্বর (সোমবার) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তিন সদস্যের বেঞ্চে রায় ঘোষণা করেন।