যুক্তরাজ্যে বৈধভাবে যাওয়ার জন্য ভিসা জালিয়াতি বা অন্য অবৈধ উপায় অবলম্বন করলে অপরাধীদের ১০ বছরের জন্য ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে প্রতি বছর ভিসা আবেদনকারীরা লাখ লাখ পাউন্ড ক্ষতির মুখে পড়েন। এসব প্রতারণা দুর্বল মানুষের সঙ্গে অন্যায়ভাবে ব্যবসা করে এবং আইনের প্রতি আস্থা হ্রাস করে।
বিশ্বজুড়ে ভিসা জালিয়াতি এবং অবৈধ অভিবাসনের মাত্রা উদ্বেগজনক। অপরাধীদের নেটওয়ার্ক ভিসা আবেদনকারীদের প্রতারণার জন্য ক্রমবর্ধমান পরিশীলিত কৌশল ব্যবহার করছে। প্রায়ই ভুক্তভোগীদের অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ভিসা, চাকরি বা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তবে বাস্তবতা হলো—এতে আর্থিক ক্ষতি, ভিসা প্রত্যাখ্যান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সবচেয়ে খারাপ ক্ষেত্রে পাচার ও শোষণ ঘটতে পারে।
সারাহ কুক বলেন, ভিসা জালিয়াতি মানুষের স্বপ্ন ধ্বংস করে এবং পরিবারকে প্রভাবিত করে। অপরাধমূলক সহায়তাকারীরা মানুষের উন্নত জীবনের আকাঙ্ক্ষাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, অর্থ চুরি করে এবং তাদের গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলে। তাই সরকারের বৈধ চ্যানেল ব্যবহার করতে হবে, সব পরামর্শ যাচাই করতে হবে এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের প্রতিবেদন করতে হবে।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্য বৈধভাবে আবেদন করা ভিসাকে স্বাগত জানায়, কিন্তু যারা জালিয়াতি করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যার মধ্যে রয়েছে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা।