Dark
Light
Today: November 18, 2025
November 5, 2025
30 mins read

ভারত কি ধীরে ধীরে শেখ হাসিনাকে ‘আনলক’ করছে?

প্রায় নয় মাস আগে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক বাসভবনে ভাঙচুরের ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার এক বিবৃতি দেয়। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়—ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন। এ নিয়ে ভারতের কাছে তার ‘লাগাম টেনে ধরার’ আহ্বান জানানো হয় এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়।

পরদিনই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাল্টা বিবৃতি দিয়ে জানায়, শেখ হাসিনার বক্তব্যগুলো তিনি ‘ব্যক্তিগতভাবে’ বা ‘ইন্ডিভিজুয়াল ক্যাপাসিটিতে’ দিচ্ছেন; সেগুলোর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

ভারতকে ‘নেতিবাচক’ দৃষ্টিতে তুলে ধরলে বা বাংলাদেশের ‘অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক ব্যর্থতার’ জন্য ভারতকে দায়ী করলে তা যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য সহায়ক হবে না, মনে করিয়ে দেওয়া হয় সেটাও। যথারীতি পাল্টা তলব করা হয় দিল্লিতে বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকেও।

গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ভারতের আশ্রয় ও আতিথেয়তায় থাকা ক্ষমতাচ্যুত পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আদৌ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে যে পরিমাণ কূটনৈতিক তিক্ততা তৈরি হয়েছে তা এক কথায় নজিরবিহীন।

এমনকি বিষয়টি নিয়ে কথাবার্তাও হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

বাংলাদেশের ভাষ্য, জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্ত সাবেক শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে ভালো কথা কিন্তু দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুসারে ঢাকা তাকে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে।

এখন সেটার কোনো নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই যদি ভারত তাকে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে দেয় এবং তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে দলীয় নেতা-কর্মীদের উসকানি দিয়ে বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরি করতে চান, তাহলে তা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

ততদিনে শেখ হাসিনা অনলাইনে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে নিয়মিতই ভাষণ দিতে শুরু করেছেন। কখনো সেটা রেকর্ডেড, কখনো আবার ‘লাইভ’।

‘মুখ খোলা’ নিয়ে মুখোমুখি দিল্লি-ঢাকা

গত এপ্রিলে ব্যাংককে বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মুহাম্মদ ইউনূস শেখ হাসিনার বিষয়ে ঢাকার যুক্তি নরেন্দ্র মোদির কাছে তুলে ধরেন। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জবাব ছিল আজকের এই সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে কারও মুখে লাগাম পরানোই সম্ভব নয় এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই ঘটছে।

আসলে শেখ হাসিনাকে মুখ খুলতে দেওয়ার প্রশ্নে ভারতের পাল্টা বক্তব্য হলো, একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে ও সুরক্ষার প্রয়োজনে তাকে এ দেশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে ঠিকই কিন্তু তিনি কোনো ‘রাজনৈতিক বন্দি’ নন।

ভারতে রাজনৈতিক বন্দিদের মোবাইল ফোন বা অনলাইন অ্যাক্সেস পাওয়ার ক্ষেত্রেও অনেক বিধিনিষেধ থাকে। কিন্তু শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য নয়, তা ছাড়া তার খবরের কাগজ বা টিভি চ্যানেল অবাধে সার্ফ করারও সুযোগ আছে। এমনকি তার ব্যক্তিগত ফোনও প্রথম দিন থেকে তার কাছেই আছে।

এই পাল্টাপাল্টি যুক্তির মধ্যেই গত ২৯ অক্টোবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স, এএফপি ও দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টে একযোগে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়।

যদিও সেই সাক্ষাৎকারগুলো লিখিত বা ইমেইল প্রশ্নোত্তরের ভিত্তিতে করা, তারপরও বিষয়টি যে শেখ হাসিনার ‘হোস্ট’ ভারত সরকারের সম্মতিতেই হয়েছে তা নিয়ে দিল্লিতে পর্যবেক্ষকদের কোনো সন্দেহই নেই।

মাস তিনেক আগে ভারতে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাদের বেশ কয়েকজনের সঙ্গেও শেখ হাসিনার সশরীরে সাক্ষাৎ হয়েছে। আর যথারীতি সেটাও ভারত সরকারের অনুমোদন ছাড়া হয়নি। দিল্লিতে এসে সম্প্রতি মায়ের সঙ্গে দেখা করে গেছেন শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

এই ঘটনাক্রম দেখে বিশ্লেষকরা অনেকেই ধারণা করছেন, একটা খুব বিশেষ পরিস্থিতিতে ভারতে চলে আসতে বাধ্য হওয়া শেখ হাসিনার ওপর যেসব বিধিনিষেধ শুরুতে আরোপিত হয়েছিল, তার অনেকগুলোই ধীরে ধীরে শিথিল করা হচ্ছে। এটাকেই অনেকে ‘আনলকিং’ বলে বর্ণনা করছেন।

কেন এখন শেখ হাসিনাকে ‘আনলক’ করা হচ্ছে? এর মধ্য দিয়ে আসলে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে? সামনে কি তাকে সশরীরে সাক্ষাৎকার দিতেও দেখা যাবে? এই প্রতিবেদন সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজেছে।

আওয়ামী লীগকে প্রাসঙ্গিক রাখার প্রচেষ্টা

দিল্লিভিত্তিক শীর্ষস্থানীয় থিংকট্যাংক মনোহর পারিক্কর ইনস্টিটিউট ফর ডিফেন্স স্টাডিজ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস (আইডিএসএ)-এর সিনিয়র ফেলো স্ম্রুতি পটনায়ক দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা করছেন।

তার বিশ্লেষণ, শেখ হাসিনাকে এখন বেশি করে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার ও আন্তর্জাতিক মিডিয়াকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার পেছনে ভারতের উদ্দেশ্য হচ্ছে—বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগকে প্রাসঙ্গিক রাখা।

তিনি বলেন, “আমি একে অনুমতি দেওয়া বলব না, তবে এটা স্পষ্ট যে এই সাক্ষাৎকারগুলো ভারত সরকারের অগোচরে হচ্ছে না।”

পটনায়কের মতে, “বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটছে, যেখানে আওয়ামী লীগ কার্যত কোনো ভূমিকা পাচ্ছে না। ঐকমত্য কমিশন সংস্কারের কাজ শেষ করেছে, জুলাই সনদে স্বাক্ষর হয়ে যাচ্ছে, অথচ আওয়ামী লীগ সেখানে অনুপস্থিত।”

তিনি আরও বলেন, “ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক সম্পর্ক আছে। এখন যখন দলটি দেশের রাজনীতিতে কার্যত নির্বাক, তখন দিল্লির জন্য শেখ হাসিনাকে বলার সুযোগ দেওয়া এক ধরনের রাজনৈতিক প্রয়োজনও বটে।”

পটনায়ক মনে করিয়ে দেন, “যে জামায়াতে ইসলামীর মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকা নিয়ে আজও বিতর্ক আছে, তারাও এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আলোচনায় সক্রিয় কণ্ঠ। অথচ আওয়ামী লীগই সেখানে অনুপস্থিত।”

তার মতে, “ভারতও বুঝে গেছে—বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে শেখ হাসিনাই এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তদাতা। তাই তাকে এখন বেশি করে সামনে আসতে দেওয়া হচ্ছে।”

ঢাকায় ভারতের সাবেক হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাসও মনে করেন, শেখ হাসিনার এসব বক্তব্য আসলে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করার উদ্দেশেই। সামনেই নির্বাচন আসছে, ফলে হাতে খুব একটা সময়ও নেই।

তিনি বলেন, ‘দলটার শীর্ষ নেতারা দেশে নেই, সামনের নির্বাচনে তারা লড়ারও সুযোগ পাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ভারতে থাকা শেখ হাসিনার পক্ষে যতটুকু যা করা সম্ভব, তিনি সেটাই করছেন। তার হোস্টরাও তাতে আপত্তি জানাচ্ছে না, এটুকুই।’

তবে ভারতের এই সিদ্ধান্ত দিল্লি-ঢাকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো বিষিয়ে তুলতে পারে, এই আশঙ্কাও অনেক পর্যবেক্ষকেরই আছে।

হাসিনাকে দিয়ে ‘পাল্টা আক্রমণে’ ভারত?

কয়েক মাস আগেই বিবৃতি দিয়ে ভারত যদিও দাবি করেছে, শেখ হাসিনার বক্তব্য মানেই সেটা দিল্লির বক্তব্য নয়। সব ক্ষেত্রে যে কথাটা সত্যি নয়, তা সুবিদিত।

বরং ভারতের পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে বা প্রকাশ্যে যেগুলো বলা সম্ভব নয়, তার অনেক কথাই শেখ হাসিনার মুখ দিয়ে বলানো হচ্ছে; এমনটাই মনে করেন দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞ তথা জেএনইউর সাবেক অধ্যাপক বলদাস ঘোষাল।

তিনি বলেন, ‘আমি তো বলব শেখ হাসিনার এই সাক্ষাৎকারগুলোর মধ্য দিয়ে ভারতই একটু আক্রমণাত্মক অবস্থান নিতে চাইছে। আসলে বাংলাদেশে সম্প্রতি এমন বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে, যেটাকে দিল্লি পরিষ্কার ভারতবিরোধী পদক্ষেপ বলে মনে করছে। যেমন সে দেশে পাকিস্তানের সামরিক জেনারেল বা সরকারি কর্মকর্তাদের ঘন ঘন সফর কিংবা সেভেন সিস্টার্স নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য।’

তিনি আরো বলেন, ‘আবার দিল্লিতে অনেকের এমনও ধারণা আছে যে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত নানা কারণে চাপে আছে বলে বাংলাদেশ বোধহয় সেই কোণঠাসা অবস্থারই সুযোগ নিয়ে কিছু ব্রাউনি পয়েন্ট স্কোর করতে চাইছে!’

এই পটভুমিতে বাংলাদেশকে পাল্টা চাপে ফেলার চেষ্টাতেই ভারতে নীতিনির্ধারকদের একটা অংশ শেখ হাসিনাকে সুকৌশলে কাজে লাগাচ্ছেন বলে বলদাস ঘোষালের ধারণা।

তার মতে, এতে করে দুটো উদ্দেশ্য সাধিত হচ্ছে। প্রথমত, শেখ হাসিনার কথাগুলো বাংলাদেশে কী ধরনের প্রভাব ফেলে বা সরকার কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখায়, সেটা পরখ করে দেখা যাচ্ছে। মানে ইংরেজিতে যাকে বলে টেস্টিং দ্য ওয়াটার। আর দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগের হতোদ্যম নেতা-কর্মীদেরও একটা বার্তা দেওয়া যাচ্ছে, যে দেখো শেখ হাসিনা দলের হাল ঠিকই ধরে রেখেছেন এবং ভারতও পুরোপুরি তার পাশেই আছে।’

ফলে অন্যভাবে বললে শেখ হাসিনার এই সব সাক্ষাৎকারের মধ্যে দিয়ে ভারতেরও কিছু স্বার্থ চরিতার্থ হচ্ছে, এমনটাও অনেকে মনে করছেন।

‘অনেক মিল কোভিড আনলকিংয়ের সঙ্গে’

লন্ডনভিত্তিক লেখক ও জিওপলিটিক্যাল অ্যানালিস্ট প্রিয়জিৎ দেবসরকার ভারতে শেখ হাসিনার প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত তার অবস্থানের নানা দিক গভীরভাবে ফলো করছেন এবং তা নিয়ে লেখালেখিও করছেন।

তিনি মনে করেন, শেখ হাসিনা ভারতে পা রাখার পরই তাকে যেভাবে কঠোর গোপনীয়তা আর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল, তার সঙ্গে কোভিড লকডাউনের অনেক মিল আছে।

তিনি বলেন, ‘মহামারির সময় লকডাউনে যেভাবে রাতারাতি সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, মানুষকে বাধ্য হয়ে গৃহবন্দি হতে হয়েছিল; তার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা ছিল অনেকটা সে রকম। কোভিড নিয়ে সরকার যেমন কোনো ঝুঁকি নিতে পারেনি, শেখ হাসিনার নিরাপত্তার সঙ্গেও কোনো আপস সম্ভব ছিল না।’

তিনি আরো বলেন, ‘কিন্তু লকডাউন তো আর অনন্তকাল ধরে চলতে পারে না। কোভিড লকডাউন যেমন একটা সময় ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া হয়েছে, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধগুলো পর্যায়ক্রমে তুলে নিতেই হতো। আর এখন ঠিক সেটাই হচ্ছে।’

গত বছরের ৫ অগাস্ট ভারতে এসে নামার পর শেখ হাসিনা দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে অনলাইনে রেকর্ডেড ভাষণ দেন বেশ কয়েক সপ্তাহ পর।

এরপর তিনি লন্ডনে আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠানে ‘লাইভ’ ভাষণ দেন। এরপর একে একে ‘সিগনালের’ মতো মেসেঞ্জার প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে বা ইউটিউবে লাইভ এসে তিনি একের পর এক ভাষণ দিতে শুরু করেন।

যথারীতি তার এসব বক্তব্য প্রচারকে কেন্দ্র করে দিল্লি ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক অস্বস্তি বাড়তে থাকে। তবে দিল্লি কখনোই তার মুখে রাশ টানেনি, বরং ধীরে ধীরে ‘লাগাম’ শিথিল করা হয়েছে।

ভারতে আসার বেশ কয়েক মাস পর তিনি আওয়ামী লীগের বাছাই করা কয়েকজন নেতার সঙ্গে সশরীরে দেখা করেন। তবে সেই বৈঠকও আয়োজন করা হয় তার এখনকার ‘বাসস্থান’ থেকে দূরে অন্য কোনো জায়গায়।

এরও কিছুদিন পর তিনি একই সঙ্গে তিনটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ‘লিখিত’ প্রশ্নোত্তরে সাক্ষাৎকার দেন। খুব শিগগির আরো কিছু গণমাধ্যমে একই ধরনের ‘সাক্ষাৎকার’ বের হবে বলে আভাস মিলেছে।

ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনাকে যদি ভিডিও ক্যামেরার সামনে বসে সাক্ষাৎকার দিতে দেখা যায়, তাহলেও বোধহয় অবাক হওয়ার কিছু নেই।

প্রিয়জিৎ দেবসরকার ঠিক এই কারণেই বলেন, ‘ভারত এখন তার বিশেষ এই অতিথির আনলকিংয়ের প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তারা কতদূর এগোবে, দিল্লিতে বসে তিনি প্রকাশ্য চলাফেরা, অবাধ গতিবিধি বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সামনে কতদূর কী করতে পারবেন, সেটা অবশ্য আরো নানা বিষয়ের ওপরে নির্ভর করছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Previous Story

নির্বাচনে প্রার্থী হতে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান

Next Story

চট্টগ্রামে এমপি প্রার্থীর গণসংযোগে গুলিবর্ষণ, নিহত ‘সন্ত্রাসী’ বাবলা

Previous Story

নির্বাচনে প্রার্থী হতে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান

Next Story

চট্টগ্রামে এমপি প্রার্থীর গণসংযোগে গুলিবর্ষণ, নিহত ‘সন্ত্রাসী’ বাবলা

Latest from Blog

ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আজ শুনানি

শেখ হাসিনার রায়কে ঘিরে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগের শুনানি আজ। রোববার (৩০ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে গত বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফজলুর

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন নেই, মশাল রোড শো স্থগিত: রিজভী

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কারণে বিজয়ের মাস উপলক্ষে ঘোষিত ‘মশাল রোড শো’

সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ড নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের বক্তব্য

সচিবালয়ের নবনির্মিত কেবিনেট ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিটকে কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। রোববার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা। প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ের নবনির্মিত

সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে ভূমিকম্পজনিত ক্ষতি ও প্রাণহানি কমানো সম্ভব।

নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সময়মতো সঠিক প্রস্তুতি নিলে বড় ধরনের ভূমিকম্পের প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। বাংলাদেশ ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে, এবং এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় এড়িয়ে

আইজিপি ইন্টারপোলের সম্মেলন শেষ করে দেশে ফিরেছেন।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম মরক্কোর মারাকেশে অনুষ্ঠিত ইন্টারপোলের ৯৩তম সাধারণ সম্মেলনে অংশগ্রহণের পর দেশে ফিরেছেন। তিনি গতকাল শনিবার দেশে ফেরেন। এই তথ্য আজ শনিবার পুলিশ সদর দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো
Go toTop

Don't Miss

ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আজ শুনানি

শেখ হাসিনার রায়কে ঘিরে বিএনপি নেতা ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে আদালত

খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন নেই, মশাল রোড শো স্থগিত: রিজভী

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার