নিউইয়র্কের মতো ব্যস্ত শহরে ৯ নভেম্বর রোববার সন্ধ্যায় এক ভিন্ন উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছিল উডহ্যাভেনের অভিজাত জয়া হলে। দুই শতাধিক নারী উদ্যোক্তার উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত
হয়েছে ‘গার্লস হবিজ গেট-টুগেদার ২০২৫’, যেখানে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব আর সৃজনশীলতার রঙে ভরে উঠেছিল এক রঙিন সন্ধ্যা। অনুষ্ঠানে জয়া হলের ঝলমলে সাজসজ্জা, রঙিন পোশাকে নারী উদ্যোক্তা ও অতিথিদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি, একে অন্যের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ভিন্ন এক আবহ এনে দেয়। আড্ডা, গল্প আর হাসির মাঝেই নারী উদ্যোক্তারা খুঁজে নিয়েছেন একে অন্যের প্রেরণা ও শক্তি।
অনুষ্ঠানের আয়োজক মিলি খান জানান, আজকের সময় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সত্যিকারের জয়যাত্রার মুহূর্ত। তিনি বলেন, নারী উদ্যোক্তারা শুধু ঘরই নয়, সমাজ ও অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিচ্ছেন দৃঢ় হাতে। নারী উদ্যোক্তা মানে কেবল ব্যবসা নয়; এটি আত্মনির্ভরতার, সাহসের এবং পরিবর্তনের প্রতীক।
মিলি খান বলেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে নারীরা ক্ষুদ্র উদ্যোগ থেকে শুরু করে প্রযুক্তি, ফ্যাশন, কৃষি, এমনকি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছেন এবং পরিবার ও সমাজে নতুন উদ্দীপনা জাগাচ্ছেন।
অনুষ্ঠান শুরু হয় আয়োজক মিলি খান ও অন্যান্য উদ্যোক্তাদের কেক কেটে উদ্বোধনের মাধ্যমে। নাচ, গান এবং লাকি ড্র-এর সঙ্গে সন্ধ্যা আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
এসময় মিলি খান আরও বলেন, “নারীরা যখন একে অন্যকে সহযোগিতা করে, তখন শখও হয়ে ওঠে স্বনির্ভরতার শক্তিশালী হাতিয়ার। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিতে চেয়েছি।”
তিনি যোগ করেন, ‘গার্লস হবিজ গেট-টুগেদার ২০২৫’ কেবল আনন্দঘন অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি নতুন চিন্তার সূচনা। এখানে নারী উদ্যোক্তারা তাদের প্রতিভা, পরিশ্রম এবং সাহস দিয়ে প্রমাণ করছেন যে—সৃজনশীলতা ও সহযোগিতার হাত ধরেই তারা গড়ে তুলবেন আগামীর অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ।