ঢাকা-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এক ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শনিবার (৮ নভেম্বর) রাত ২টার পর দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লেখেন, নতুন দলের কিছু সদস্য থেকে শুরু করে পুরোনো বিশ্বাসঘাতক গোষ্ঠীর কুচক্রীরা সবাই এখন একই সুরে— হাসিনা-শৈলীর ভাষায় কথা বলছে এবং জোর করে মত চাপিয়ে দিতে চাইছে।
তিনি বলেন, “একজন নতুন মুখ কাওয়া ওবায়দুল কাওয়ার মতো আচরণ করছে— জাতির কৃতি সন্তান ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে অশালীন ও কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করছে। ওই দলের এক ‘না-ফোটা মস্তিষ্কের’ ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে এমন মন্তব্য করে চলেছে। তাদের কথিত ‘নয়া বন্দোবস্ত’ মানে হচ্ছে— আওয়ামী লীগ যেমন লুটপাট করেছে, তারা তার চেয়েও বেশি লুটপাট করবে।”
ইশরাক আরও উল্লেখ করেন, আরেকটি গোষ্ঠী আছে যারা কেবল মহাজান্তা নয়, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রতারণার নায়ক বলেও বিবেচিত হতে পারে। তারা ঐক্যমত্য কমিশনে এমনভাবে উপস্থিত ছিল, যেন সে দায়িত্ব পালনের কোনো যোগ্যতাই তাদের নেই। এই গোষ্ঠী নিয়মিত টকশোতে বসে জাতীয় স্বার্থ ও জনআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী বক্তব্য দিচ্ছে।
তার ভাষায়, সবচেয়ে উদ্বেগজনক অংশটি হলো সেই দল, যারা এখনো নির্বাচনের বিরোধিতা করে জনমত তৈরিতে ব্যস্ত। “এর মধ্যে এক আজব আইনজীবী আছেন, যিনি বলেছিলেন— ‘প্রধান উপদেষ্টা সকালে ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যা বলবেন, সেটাই নাকি সংবিধান।’”
ইশরাক আরও লেখেন, “ছাঁটাই ক্যাম্পের এক ব্যারিস্টার ইতিহাস বিকৃত করে উদ্ভট তত্ত্ব প্রচার করছেন এবং তরুণ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছেন। রাজনীতিবিদরা ক্ষমতার স্বার্থে নয়, বরং জনগণের ন্যায্য অধিকার, অন্যায়-অবিচার, গুম-খুন ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে প্রয়োজনে ‘আঙুল বাঁকা’ করেন— এটাই সত্য।”