বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলার এই সময়ে কিছু রাজনৈতিক দল অন্তর্বর্তী সরকারের সীমাবদ্ধতাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে অবস্থান নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘দুর্বল’ সরকারকে হুমকি-ধমকি না দিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জনগণের মুখোমুখি হওয়ার সাহস দেখাতে হবে।
১২ নভেম্বর (বুধবার) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি প্রতিদিনই নাজুক হয়ে পড়ছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো জনগণের ভোটে নির্বাচিত, বৈধ সরকারের প্রতিষ্ঠা।
তারেক রহমান অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল নানা শর্তের অজুহাতে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। এতে তারা নির্বাচনে অংশ না নিয়ে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ এবং পতিত পলাতকদের পুনর্বাসনের পথ তৈরি করছে।
তিনি আরও বলেন, পলাতক স্বৈরাচাররা এখন ফ্যাসিবাদবিরোধী এক দলের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। গণভোটের আড়ালে রাষ্ট্র ও সমাজে সেই স্বৈরাচারদের পুনর্বাসনের কোনো প্রচেষ্টা চলছে কিনা, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান সংকটটি পুরোপুরি অপ্রয়োজনীয়। তিনি অভিযোগ করেন, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিয়ে এবং জনগণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করে তোলার উদ্দেশ্যেই এই সংকট তৈরি করা হয়েছে।