ড. মোহাম্মদ ইউনূসের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টার গোপন ভারত সফরকে ঘিরে এখন তোলপাড় চলছে। জানা গেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ও তার স্বামী কবি ও মানবাধিকার কর্মী ফরহাদ মজহার সম্প্রতি গোপনে ভারত সফরে গিয়েছিলেন। প্রথমে হায়দরাবাদের এক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তারা ভারতের আরও কয়েকটি স্থানে ভ্রমণ করেন বলে সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে জাতিসংঘের সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস যখন নিউইয়র্কে ছিলেন, তখন ফরিদা আখতারও তার সফরসঙ্গী হিসেবে সেখানে যান। নয় দিনের ওই সফরে তিনি নিউইয়র্কে থাকা আত্মীয়দের সঙ্গেও সময় কাটান বলে জানা গেছে।
একই সময়ে গুম তদন্ত কমিশনের সদস্য নূর খান লিটনও ‘ব্যক্তিগত কাজের’ অজুহাতে দিল্লীতে যান। তিনি ২০ অক্টোবর দিল্লীর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান এবং ঘনিষ্ঠ কয়েকজন তাকে রিসিভ করেন। সূত্র জানায়, তিনি ২৭ অক্টোবর কলকাতা হয়ে সড়কপথে দেশে ফিরবেন।
এদিকে সরকারঘনিষ্ঠ এই ব্যক্তিদের একের পর এক গোপন ভারত সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, বর্তমানে দিল্লীতে অবস্থান করছেন আত্মগোপনে থাকা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র কয়েকজন নেতা, যারা বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলনের সময়ের বিভিন্ন হত্যা মামলার আসামি।
তাদের সফরের অল্প কিছুদিন আগে, ৪ অক্টোবর ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে ভারত সরকারের খরচে ২৩ জন সাংবাদিককে ‘প্রশিক্ষণ কর্মসূচির’ নামে দিল্লী নেওয়া হয়। সেখানে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে বলেন, “বাংলাদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দ্রুত নির্বাচন হওয়া উচিত। ভারত নির্বাচিত সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।”
ঢাকার পরিচিত এসব সাংবাদিকদের নিয়ে ভারত সরকারের এই উদ্যোগ এবং একই সময়ের মধ্যে সরকারঘনিষ্ঠদের ধারাবাহিক ভারত সফর—সব মিলিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনা চলছে।
ড. মোহাম্মদ ইউনূসের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টার গোপন ভারত সফরকে ঘিরে এখন তোলপাড় চলছে। জানা গেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ও তার স্বামী কবি ও মানবাধিকার কর্মী ফরহাদ মজহার সম্প্রতি গোপনে ভারত সফরে গিয়েছিলেন। প্রথমে হায়দরাবাদের এক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তারা ভারতের আরও কয়েকটি স্থানে ভ্রমণ করেন বলে সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে জাতিসংঘের সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস যখন নিউইয়র্কে ছিলেন, তখন ফরিদা আখতারও তার সফরসঙ্গী হিসেবে সেখানে যান। নয় দিনের ওই সফরে তিনি নিউইয়র্কে থাকা আত্মীয়দের সঙ্গেও সময় কাটান বলে জানা গেছে।
একই সময়ে গুম তদন্ত কমিশনের সদস্য নূর খান লিটনও ‘ব্যক্তিগত কাজের’ অজুহাতে দিল্লীতে যান। তিনি ২০ অক্টোবর দিল্লীর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান এবং ঘনিষ্ঠ কয়েকজন তাকে রিসিভ করেন। সূত্র জানায়, তিনি ২৭ অক্টোবর কলকাতা হয়ে সড়কপথে দেশে ফিরবেন।
এদিকে সরকারঘনিষ্ঠ এই ব্যক্তিদের একের পর এক গোপন ভারত সফর নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, বর্তমানে দিল্লীতে অবস্থান করছেন আত্মগোপনে থাকা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সিনিয়র কয়েকজন নেতা, যারা বাংলাদেশে জুলাই আন্দোলনের সময়ের বিভিন্ন হত্যা মামলার আসামি।
তাদের সফরের অল্প কিছুদিন আগে, ৪ অক্টোবর ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্যোগে ভারত সরকারের খরচে ২৩ জন সাংবাদিককে ‘প্রশিক্ষণ কর্মসূচির’ নামে দিল্লী নেওয়া হয়। সেখানে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে বলেন, “বাংলাদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই দ্রুত নির্বাচন হওয়া উচিত। ভারত নির্বাচিত সরকারের সঙ্গেই কাজ করবে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।”
ঢাকার পরিচিত এসব সাংবাদিকদের নিয়ে ভারত সরকারের এই উদ্যোগ এবং একই সময়ের মধ্যে সরকারঘনিষ্ঠদের ধারাবাহিক ভারত সফর—সব মিলিয়ে এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা ও আলোচনা চলছে।